বুধবার, ২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

সুন্দরী প্রতিযোগীতায় অংশ নেয়া রমনীদের বাবাদের কাছে কয়েকটা প্রশ্ন


সুন্দরী প্রতিযোগীতায় অংশ নেয়া রমনীদের বাবাদের কাছে কয়েকটা প্রশ্ন

০৭ ই জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:৪২

সুন্দরী প্রতিযোগীতায় অংশ নেয়া রমনীদের বাবাদের কাছে কয়েকটা প্রশ্ন রাখতে চাইঃ
১) যখন আপনার মেয়েকে দেখে কেউ তালি বাজায়, অথবা শিশ দেয় তখন আপনার কি গর্বে বুক ভরে ওঠে ?
২) যখন আপনার মেয়ের পরণে থাকে টাইট ফিটিং কাপড় (যার মধ্যে দিয়ে তার শরীরের প্রতিটি অংশের আকার বোঝা যায়) আপনিও কি হাজার দর্শকের মত তা উপভোগ করেন ?
৩) যখন আপনার মেয়েকে স্মার্ট বানানোর নামে ছোট কাপড় পরানো হয়, বাংলা ইংলিশ মিশিয়ে কথা বলানো হয়, তখন আপনি কি মুচকি হাসেন ?
৪) যখন আপনার মেয়ে এসএমএস এর জন্য সবার কাছে কাকুতি-মিনতি করে তখন কি আপনার মনে হয় আপনারও সবার কাছে এসএমএস চাওয়া উচিৎ ?
৫) আপনারা নিশ্চই আপনার মেয়েকে মা ডাকেন, আপনার মা কে হাজার হাজার মানুষের মাঝে উন্মুক্ত করতে আপনাদের বিবেকে একটুও বাধে না ?

সূত্র: ইন্টরনেট ।

বাংলাদেশ ২১০৮ - একটি ভবিষ্যৎ দর্শনমূলক কবিতা


বাংলাদেশ ২১০৮ - একটি ভবিষ্যৎ দর্শনমূলক কবিতা (MUST SEE!!!)


আজি হতে শত বর্ষ পরে, যখন তুমি পড়বে আমার কবিতাখানি....
দেখবে এই বাংলাদেশটা নেই আর যেমন আমরা জানি....

আওয়ামী-জামাত বাঁধবে জোট....
বুক ফুলিয়ে চুরবে ভোট....
পরিবারতন্ত্রে বড়ই সুখ....
জনগণের বন্ধ মুখ....

চালের মূল্য আকাশ ছোঁবে....
হাজার টাকা কেজি হবে....
জেনে রেখো শুধু তবে....
ইনকামটা একই রবে।

তারেক রহমান স্মৃতি পুরষ্কার....
পাবে যত চোর রাজাকার....
মুক্তিযোদ্ধা?? সেটা আবার কি?
রাজাকারদের বিচার বাকি....

ঘরে ঘরে সব গোল্ডেন এ প্লাস....
ফেল নেই কোন, শতভাগ পাস....
প্রকৌশলী-ডাক্তার হাজার হাজার....
বন্ধ শুধু চাকরীর দুয়ার....

বিএনপি ফের লাগবে জোড়া....
দেশটাকে করবে খোঁড়া....
হাসান মশহুদের বংশীয়রা....
অত্যাচারে দেশছাড়া....

মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদান....
নিজামী শালা পাবে সম্মান....
দূর্নীতি ফের হবে বলিয়ান....
ফিরে পাবে তার শীর্ষস্থান....

তখন থাকবো না আমি....
থাকবে না তুমি....
থাকবেন শুধু অন্তর্যামী....
দাঁত কেলিয়ে হাসবে আমার কবর চাপা খুলি....
করবে বয়ান মৃত্যুসুখ আর আনন্দের বুলি....
"বেঁচেছি মরে আমি তোমার কোলে মাগো....
তোমার সন্তানদের বলবো শুধু - জাগো! বাঙালি জাগো!"



*** মজার জায়গা সামহয়ার...রাজাকারের বিরুদ্ধে বললে ভারতের পা-চাটা কুকুর, ভারতের বিরুদ্ধে বললে রাজাকার, ইসলামের একটা ত্রুটি বের করার সামান্য প্রচেষ্টা করলেও নাস্তিক, ইসলামের একটি ভালো দিক তুলে ধরা পোস্ট করলেও মৌলবাদী, বিএনপির বিরুদ্ধে বললে আওয়ামীপন্থি, আওয়ামী লিগ নিয়া কথা বললে বিএনপি'র পোষা কুকুর, জামাতের পক্ষে বললে রাজাকার, বিপক্ষে বললে নিজেই রাজাকারদের টার্গেট।

কবিতা লিখেছি বটে, কিন্তু সাথে এও দোয়া করি যেন আমার কবিতার একটি বাক্যও সত্য না হয়। নিজেকে নিরপেক্ষ দাবী করছি না, কিন্তু নিজেকে এই দেশের একজন অত্যাচারিত নাগরিক দাবী করতে হয়তো পারি। ইতিহাস নাকি পুরনো শয়তান মেরে নতুন শয়তান সৃষ্টি করে। আমি নতুন শয়তান দেখতে রাজি আছি, তাও যদি পুরানগুলা বিলুপ্ত হয়।

কি আওয়ামী লীগ, কি বিএনপি, কি জামাত.....সব শালাই এক....আর এটাই বাংলাদেশের আসল রূপ। তো চলে আসুন সাইটের সব পা-চাটা কুকুরেরা, রাজপথ দখলের যুদ্ধ থেকে বিতাড়িত হয়ে ব্লগ দখলের যুদ্ধে ব্যস্ত সেনারা। চলে আসুন মেয়ে আইডিধারী রাজাকাররা। আসুন, এসে আপনাদের ঝাল মিটিয়ে যান....দেখিয়ে যান আপনাদের আসল রূপ....কষে মাইনাস দিন....এমন সুযোগ রোজ আসবে না।

সূত্র: ইন্টরনেট ।

কবিতার লেখনি খারাপ লাগার কারনে মাইনাস দিলে সাথে কমেন্ট দিয়েন প্লিজ.......

লজ্জ্বা পান........তবুও কাউকে আপনার প্রেমে পাগল করতে চান?? (সোনামণি ও আপামণিদের জন্য না)

লজ্জ্বা পান........তবুও কাউকে আপনার প্রেমে পাগল করতে চান??  (সোনামণি ও আপামণিদের জন্য না)

আমি ভাই ব্যর্থ প্রেমিক। তবে ভাই-বেরাদর, বন্ধু-বান্ধব, দুলাভাইয়েরা সব সময়ই সমব্যথী ছিলেন। অতএব, তারা বিভিন্ন সময়ে তাদের বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে মেয়ে পটানোর কিছু অব্যর্থ টিপস দিয়ে আমার জ্ঞানের ভান্ডারকে সমৃদ্ধশালী করেছেন। সেই ভান্ডারের সামর্থ্যে আর কুলাচ্ছে না!! তাই কিছু আপনাদের জন্য ছেড়ে দিচ্ছি।

নিচের টিপসগুলো মূলত 'কঠিন হৃদয়যুক্ত' কোন কন্যাকে নরম করার গরম ফর্মূলা!(কারণ, আমার প্রতি সব কইন্যাই কেন যেন কঠিন। তাই এই ব্যাপারে সদুপদেশ ও পাইছি বেশী।)


টিপস ১. আপনি কি ভাই খুব ফিটফাট/ গোছালো? প্রথমেই মাইনাছ! কিছুটা অগোছালো, এলোমেলো ছেলেই নাকি সুন্দরী মেয়েদের বেশি পছন্দ! তবে সাবধান! উদ্ধত্যপূর্ণ কিংবা ছেঁড়া-ফাঁড়া পোশাক বাদ দিন। ভালো পারফিউম ব্যবহার করুন।


টিপস ২. মেয়ে ভাবলেশহীন ভাবে তাকিয়ে আছে? আপনি উদাসী হউন। নিজের ব্যাপার গুলো ভুলে যান বেশী করে। জ্ঞান ফলান। তবে হ্যাঁ, আঁতলামি কইরেন না আবার!


টিপস ৩. মেয়ে নরম হচ্ছে না? তাকে দাম দিন। প্রশংসা করুন- তবে মেপে মেপে। শরীর নিয়ে ভুলেও প্রশংসা করবেন না। করলে বিপুল মাইনাছ!! তার কাজকে গুরুত্ব দিন। কোন গুণ থাকলে তার প্রশংসা করুন। পোষা প্রাণী থাকলে ওটারও প্রশংসা করুন(আপনার পছন্দ না হলেও!)


টিপস ৪. মেয়ে বেশি ভাব-গম্ভীর? ঘন ঘন তাকান। বাছাই করা জোক্‌স দিয়ে রসিকতা করুন। হাসুন-- হাসতে দিন। হাসি মুখ যে কাউকে আকর্ষণ করে।


টিপস ৫. কাজ হচ্ছে না? দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারছেন না?? কিছুটা যৌনতার দিকে যান। কথার ফাঁকে আপনার চুলে হাত বোলান। আপনার দিকে তাকালে জিভ্‌ দিয়ে ঠোঁট চাটুন (বেশী করা যাবে না।) পশমী বুক থাকলে জামার দু'একটা বোতাম খুলে দিন। ভদ্র ভাবে যৌনতা দেখান......... নরম হবেই!!


টিপস ৬. মেয়ে অতিরিক্ত কঠিন? একেবারেই কাজ হচ্ছে না?? উলটো পথে হাঁটুন। জানেন তো, মাইনাছে মাইনাছে পিলাচ! এইবার দাম কিছুটা কম দেন। অন্য কারো সাথে ক্ষীর খান(মেয়ে হইলে ভালো)!! হঠাৎ দাম কমে গেলে সে কিছুটা জ্বলবেই। জ্বলে পুড়ে অঙ্গার হতে দিন। পড়ে আগুন নিভে গেলে বুঝবে......... আপনি ছাড়া গতি নাই!!



এগুলোতে কোন কাজই হলো না?????


ভয় পাবেন না। ভাত হাত দিয়ে খাওয়া যায়, আবার চামুচ দিয়াও খাওয়া যায়! অর্থাৎ ঘুরপথে আন্টির কাছে যান। মনে রাখবেন, পরিবারও অনেক সময় পছন্দে প্রভাব ফেলে।


টিপস ৭. আন্টিকে কদমবুচি করেন। শরীর-স্বাস্থ্যের খবর নেন। পারিবারিক বিষয় নিয়ে আলাপ করেন। তবে সাবধান!! এতক্ষণ মেয়ের সাথে যা যা করছেন......... আন্টির সাথে আবার রিপিট মাইরেন না! তাইলে আমার লেখা পুরাই ব্যর্থ!!


মা মেয়ের চেয়ে আরো বেশী কঠিন??
কিন্তু মেয়েটা যে বেশী জটিল!! এর সাথেই ভাঁজ খাইতে মনে চায়!!!


তাইলে আর কি? শেষ ভরষা......... তাহার পিতা!


টিপস ৮. এইবার ভুলেও উদাসী পাট লইয়েন না। ফিটফাট হয়া যান। কদমবুচি রিপিট লন। শরীরের খবরও লন। এরপর ইঞ্জিন স্টার্ট দেওয়ার মত পিতার পছন্দের কোন বিষয়ে কথার আরম্ভ কইরা দেন। সামনে নাশতা আসছে? খাওয়ার কথা ভুলে যান! খালি উৎসাহী বদনে শুনে যান। গাম্ভীর্য বজায় রাখুন। পরবর্তীতে ঘরে আপনার প্রশংসা হবেই। এতে যদি মেয়ে কিছুটা গলে!!!!


পরিশেষঃ
" যদি দেখেন টিপ্‌স গুলাতে কোন কাজ-ই হয় না
বুঝিবেন এই মেয়ে আপনার সাথে যায় না !! "

"ছেড়ে দিয়ে এই মেয়েকে পটানোর ধান্দা
নামাজ ধরে হয়ে যান খোদার প্রিয় বান্দা।"

সূত্র: ইন্টরনেট ।


যারা ইয়ে করে বিয়ে করতে যাচ্ছেন, পালিয়ে (আইনী পরামর্শমূলক)


যারা ইয়ে করে বিয়ে করতে যাচ্ছেন, পালিয়ে (আইনী পরামর্শমূলক)

আমাদের দেশের আইন আদালত সম্পর্কে যাদের ধারনা কম তাদের এই লেখা কাজে আসতে পারে। আর এই লেখার উদ্দেশ্য পালিয়ে বিয়ে করতে উথসাহিত করা নয়, বরং পালিয়ে বিয়ে করার পর রিস্কগুলো সম্বন্ধে সাবধান করা।

পালিয়ে বিয়ে করতে গেলে আপনাদের, মুসলিম ছেলে মেয়েদের, অনেকের মনে নানা প্রশ্ন দেখা দেয় যেমন বিয়ের পরে কোনো সমস্যা হবেনাতো বা বিয়েটার বৈধতা কেমন হবে। বিয়েটাই বা কোথায় করতে হবে? কোর্টে নাকি কাজি অফিসে? ছেলেরা ভাবে, মেয়ের বাবা যদি মামলা করে দেয় নারী নির্যাতনের? তাহলে কি জেল টেল খাটতে হবে? ইত্যাদি।

অনেকে ভাবেন এসব ক্ষেত্রে হয়ত কোর্ট ম্যারেজ করতে হবে। কোর্ট ম্যারেজ টার্মটা আমরা প্রায়ই শুনে থাকি। কিন্তু এটা নিয়ে অনেকের এক্টু ভুল ধারনা আছে। অনেকে যারা অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া বা পালিয়ে বিয়ে করতে চায় তারা কোর্ট মারেজ করতে যায় বা করতে চায়।

অনেকে মনে করেন কোর্ট ম্যারেজ হয়তো কোর্টে গিয়ে বিয়ে করা। অথবা মাজিস্ট্রেট-এর সামনে বিয়ে করা। আসলে তা নয়। কোর্ট ম্যারেজ করতে হলে আপনাকে যেতে হবে কোন নোটারী পাবলিকের (সরকারী রেজিস্টার্ড উকিল) কাছে। তিনি আপনাদেরকে (বর কনে) ১০০ বা ২০০ টাকার স্ট্যাম্পে একটি হলফনামায় সই করাবেন যাতে লিখা থাকবে আপ্নারা প্রাপ্তবয়স্ক এবং সজ্ঞ্যানে সেচ্ছায় বিয়ে করেছেন।

তার মানে কি দাড়ালো? বিয়ে আপনাদেরকে আগেই করতে হবে। কোথায়? যথারিতি কাজী অফিসে। রেজিস্ট্রী কাবিনমুলে। কাজী অফিসে কাবিননামায় সই করতে হবে । কাজি সাহেবকে আপনাদের এস এস সি-এর সার্টিফিকেট বা ন্যাশনাল আইডি কার্ড দেখাতে হবে বয়স প্রমানের জন্য। বয়স অবশ্যই আঠারো (মেয়ে) ও একুশ (ছেলে) হতে হবে। আর লাগবে দুইজন সাক্ষী। আর অই কাবিননামাই আপনাদের বিয়ের প্রধান আইনী দলিল। আর নোটারী পাব্লিকের কাছে গিয়ে আপনি শুধু অই দলিলের আরও একটা সম্পূরক আইনী দলিল করে রাখলেন ভবিস্যতে মামলা টামলায় একটু সুবিধা পেতে।

তবে জেনে রাখবেন, নোটারী পাবলিকের কাছে করা হলফনামার কোনো দাম নেই যদি আপনার কাবিননামা না থাকে। কাবিননামা থাকলে আপনার বিয়ের পক্ষে আর কোনো ডকুমেন্টই লাগবেনা। কাবিননামাই সব।

এক পক্ষ হিন্দু বা মুসলিম বা অন্য ধ‌র্মের হলেও, ধর্ম পরিবর্তন না করেই বিয়ে করা সম্ভব। (আমি তান্ত্রিক-এর ২২ নং কমেন্ট দেখুন)

বিয়ে হয়ে গেলে অনেকসময় পরে দুই পক্ষের বাবা মা-রা মেনে নেয়, অনেক সময় মেনে নেয়না। অনেকসময় মেয়ের বাবা ক্ষেপে গিয়ে ছেলের বিরুদ্ধে মামলা করে বসে। মামলাগুলো হয় সাধারনত অপহরনপূরবক ধর্ষনের। এই মামলাগুলোর জামিন বা রিমান্ড শুনানী এবং বিচার হয় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে। মামলার ধারাগুলো জামিন-অযোগ্য। এবং আমলযোগ্য, মানে পুলিশ এসব ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতের পারমিশন ছাড়াই আসামিকে এরেস্ট করতে পারে। তাই যখন শুনবেন মামলা হয়েসে তখন থেকে কিছুদিন পালিয়ে থাকুন কারন পুলিশ ধরে নিয়ে গেলে কিন্তু প্রথমেই জামিন হবেনা।

আর মানসিকভাবে শক্ত থাকুন, দুজনেই। মামলা (উক্তরূপ) হবার পর তদন্ত শুরু হবে। ভিকটিম (মেয়ের বাবার চোখে মেয়েটি এখানে ভিকটিম)-এর জবানবন্দী দিতে হবে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-এর সামনে। এটি ২২ ধারার জবানবন্দি, ম্যাজিস্ট্রেট-এর চেম্বারে হয়। কেউ কোন প্রভাব খাটাতে পারেনা। এখানে মেয়েকে বলতে হবে, “আমি সেচ্ছায় বিয়ে করেছি। আমাকে কেউ অপহরন করেনি।“ ব্যাস। তাহলে মামলায় পুলিশ আর চার্জশীট দেবেনা। আসামি (ছেলে) অব্যাহতি পাবে।

তবে মেয়ের বাবা পুলিশকে ঘুষ দিয়ে ছেলেকে কোন ডাকাতি বা মার্ডার কেইসে গ্রেফতার দেখানোর (shown arrest) ব্যবস্থা করতে পারে। আমাদের পুলিশ সব পারে ইনশাআল্লাহ।
সূত্র: ইন্টরনেট ।

বিয়া করতে যাইতাছেন, আগে এইটা পড়েন, ভাইয়াদের জন্য পরামর্শ পোষ্ট


বিয়া করতে যাইতাছেন, আগে এইটা পড়েন, ভাইয়াদের জন্য পরামর্শ পোষ্ট

যেসব ভাইয়েরা বিয়া করার কথা ভাবতেছেন, তাদের জন্য এই পোষ্ট। আপারা একটু দুরে থাকেন, এইসব জাইনা ফেললে আখেরে আপনাদেরই ক্ষতি। ভাইরে একটু সুযোগ দেন আপনেরে খুশী রাখতে। ইগনোরেন্স ইজ ব্লিস - সংসারের চেয়ে এইটার ভালো এক্সাম্পল নাই। এইগুলা সবই পরীক্ষিত উপায়, সেজন্য নিশ্চিন্তে চালাইতে পারেন।

১। সরি বলা শিখেন - যেই পুরুষ যত ভালো সরি বলতে পারে সেই তত সুখি। যতই চেষ্টা করেন এমন স্বামী হইতে পারবেন না, যার উপর বউ ক্ষেপে না। সারা জীবন যেইভাবে চইলা আসছেন, বিয়ার পরে তেমনি চলতে গেলে বউ খেপবো। অনেক সময় এমন কারনে খেপবো যেই কারনটাই খুইজা পাবেন না। বউরে যতক্ষনে বুঝাইবেন আপনার মনে কোন ময়লা নাই, আপনে ঠিক কাজই করছেন, তার চেয়ে অনেক তাড়াতাড়ি মিটমাট করতে পারবেন সরি বইলা। সরি বলনের কায়দা হইলো কোন এক্সকিউজ দিবেন না, সব দোষ নিজের বইলা স্বীকার করেন। তা হইলে আপা আর বেশিক্ষণ রাগ কইরা থাকতে পারবে না। ভাইয়েরা কি বেশি ঠইকা যাইতেছেন মনে হইতেছে, ধৈর্য্য ধরেন।
 ২। বোকা থাকাই ভালো - আপার সাথে এমন ভাব ধরবেন যেন আপনে অনেক বোকা। আগে বুদ্ধিমান থাকলেও আপারে ভালোবাসার পর থেইকা মাথা মহাশূণ্যের মত হইয়া গেছে। আপারে যদি বিশ্বাস করাইতে পারেন আপনে বোকা অনেক ঝামেলা থেইকা বাইচা যাবেন।

৩। ভালো শ্রোতা হন - আপা যা কইতে চায় সব শোনেন। কোন সমস্যার কথা কইলে সমাধান দিতে লাফায় পইড়েন না, আপা আপনার সমাধান জানার জন্য সমস্যা কয় নাই। আপা কেমনে সমাধান করতে চায় সেটাই শোনেন। একটা কথা মাথায় রাইখেন, শোনা মানে কথা কান দিয়া ঢুকানো, কথা মত কাজ করা না।

৪। ভালোবাসি বলতে কিপ্টামি করবেন না - কারনে, অকারনে বলেন ভালোবাসি। আপারে বোঝান তারে ছাড়া আপনে কত অসহায়। সব কথার কারুকাজ। কথা কইতে তো কোন খরচ নাই।

৫। নিজে যা ভালো বুঝেন তাই করেন - আপার পরামর্শ নেন, তার সব কথা শোনেন। এরপরে সব মিলায়া নিজের কাছে যেইটা সবচেয়ে ভালো মনে হয় সেইটাই করেন। আপার সাথে মিলতে হবে এমন কোন কথা নাই। আপা রাগ করতে পারে। তখন আবার পয়লা রুলে ফেরত যান। সরি কোনদিন পুরান হয় না, যদি ঠিকমত কইতে পারেন।

৬। বউরে রেসপেক্ট করেন - বউরে তো ভালোবাসবেনই, কিন্তু একটা মানুষ হিসাবে রেসপেক্ট করাটা জরুরী। তার স্যাক্রিফাইস অ্যাকোনলেজ করেন। আপা যেন মনে করে, উনিই আপনার জীবনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মানুষ।

৭। মাতব্বরি কমান, নিজেরে স্বাধীন ভাবতে দেন - সব কিছু বইলা করানোর চেষ্টা কইরেন না। বিয়ার আগেই আপনার কাছে কোনগুলা গুরুত্বপূর্ণ সেইটা আপারে জানান। এরপরে আপারে এর বাইরে সব কিছুতে নিজের মত কইরা ডিসিশন নিতে দেন। কিন্তু আপনে যেগুলার কথা বলছিলেন সেইগুলার ব্যপারে অবশ্যই মনে করাইবেন। কিন্তু এই লিস্টটা আবার এত বড় কইরেন না, যে আপা মনে করে সব ব্যপারেই আপনে নাক গলান। আপনে মাতব্বরি করতেছেন মনে করলেই সারছে।

এরপর বাকি আল্লাহ ভরসা। বিসমিল্লাহ বইলা দিল্লীকা লাড্ডু খাইয়াই ফালান। বদহজম না হইলে এর চাইতে ভালো আর কিছু নাই।
সূত্র: ইন্টরনেট ।